ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের পশ্চিম সিলোনিয়া গ্রামের শাহ আলমের বাড়িতে -স্মার্ট বাংলাদেশ, সরকারের অর্জিত সাফল্য,উন্নয়ন পরিকল্পনা,দুর্নীতি, মাদক,যৌতুক ও বাল্য বিবাহ,ডেঙ্গু প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে "নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সমাবেশে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব শুসেন চন্দ্র শীল, চেয়ারম্যান -ফেনী সদর উপজেলা পরিষদ।
বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এ.কে. শহীদ উল্যাহ খন্দকার (ভাইস চেয়ারম্যান, ফেনী সদর উপজেলা পরিষদ), জনাব জোৎস্না আরা বেগম (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান,
ফেনী সদর উপজেলা পরিষদ), জনাব মো: দেলোয়ার হোসাইন (চেয়ারম্যান, কালিদহ ইউনিয়ন পরিষদ, ফেনী)
সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব লিখন বণিক, সহকারী কমিশনার (ভূমি),ফেনী সদর।এবং স্বাগত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এস.এম.আল-আমিন ( তথ্য অফিসার,জেলা তথ্য অফিস, ফেনী)
প্রধান অথিতি জনাব শুসেন চন্দ্র শীল তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক গৃহীত নানা কর্মসূচীর সুফল তুলে ধরতে উপস্থিতিকে প্রশ্ন করেন যে তাঁরা কেউ খালি পায়ে এসেছে কি না? কেউ বয়স্ক ভাতা,বিধবা ভাতা পান কি না, কোনো মেয়ে ইভটিজিং এর শিকার হন কি না, কেউ এখন গোলাগুলির শব্দ পান কি না?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নারী বান্ধব কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ বাংলাদেশের সংসদের স্পীকার থেকে শুরু করে আজ সর্বক্ষেত্রে নারীদের জয়জয়কার।ফেনী জেলার জেলা প্রশাসক এবং শীর্ষ কর্মকর্তাগণ বেশিরভাগই নারী। আজকে দেশের প্রতিটা সেক্টরে নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উপস্থিত জনতা সমস্বরে "হ্যাঁ" সূচক জবাব দেন। তিনি নারীদের গুজব থেকে বিরত থাকতে নানা বাস্তবমুখী উদাহরণ দিয়ে সুন্দরভাবে আলোচনা করেন। বিগত সময়ে বাংলাদেশের যে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহ নানা খাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংস্কারমূলক কর্মসূচীর উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেন- আগে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ছিলো না, এখন মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি মানুষ দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারছে। আগে একটা মোবাইলের দাম ছিলো লক্ষাধিক টাকা, যা বর্তমানে মাত্র কয়েক হাজার টাকায় পাওয়া যায়। আগে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বললে মানুষ বুঝতো না,এখন মানুষ সব কাজ অনলাইনেই করতে পারছে।বাংলাদেশ এখন স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।
বিশেষ অথিতি জনাব এ.কে. শহীদ উল্যাহ বলেন- কালিদহ ইউনিয়নের পশ্চিম সিলোনিয়া গ্রামে আজকে উন্নয়নের যে জোয়ার চলমান আছে তার রুপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান সরকারের নানা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ মেয়েরা উপবৃত্তি পাচ্ছে,মায়েরা মাতৃত্ব ভাতা পাচ্ছে,বিধবা ভাতা পাচ্ছে। আজকে পরিবারগুলোয় স্বচ্ছলতা এসেছে, জীবিকার সংস্থান হচ্ছে।তিনি সরকারের এ কার্যক্রম চলমান রাখতে জনগণের সহায়তা চেয়েছেন।
জনাব জোৎস্না আরা বেগম বলেন- নারীদের কষ্ট বুঝে নারীদের জন্য বর্তমান সরকার আজ যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করেছে তার সুফল পাচ্ছে নারীরাই। নারীদের জন্য সরকার নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
জনাব মো: দেলোয়ার হোসাইন বলেন ফেনীর উন্নয়নের রুপকার জননেতা নিজাম উদ্দীন হাজারী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন কর্মসূচি চালিয়ে নিতে জনগনপর সহয়যোগিতা প্রযোজন।
সভাপতি জনাব লিখন বণিক বলেন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর। যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের ভূমিকা তুলে ধরেন।পাশাপাশি স্মার্ট গভর্নেন্সের অংশ হিসেবে বর্তমানে স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।
তথ্য অফিসার জনাব এস.এম.আল আমিন তাঁর বক্তব্যে বলেন সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচারে জেলা তথ্য অফিস সবসময় তৎপর। তিনি সরকারের নানা কর্মসূচী বাস্তবায়নে নানা অংশীজনদের ধন্যবাদ দেন।পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে নাগরিকদের করণীয় এবং নারী ক্ষমতায়নে সরকারের নানা বাস্তবমুখী পদক্ষেপ তুলে ধরেন।